নাটক: কিছু কিছু চুতমারানির প্রেমে পরিয়া

 

নাটক: কিছু কিছু চুতমারানির প্রেমে পরিয়া








🌿 গল্প: কিছু কিছু চুতমারানির প্রেমে পরিয়া

গ্রামের নাম ছিল চরদুয়ানি। ছোট্ট একটা গ্রাম, কিন্তু মানুষের ভালোবাসা ছিল আকাশের মতো বড়। এই গ্রামেরই এক গরিব পরিবার—রহিম উদ্দিন, তার স্ত্রী হালিমা, আর দুই ছেলে-মেয়ে—রুবেল আর মিতু।

রহিম উদ্দিন ছিলেন একেবারে সাধারণ মানুষ। মাথায় সবজি ভরা ঝুড়ি নিয়ে বাজারে যেতেন, আর ফেরার পথে কিছু মাছ নিয়ে আসতেন। সংসারটা খুব কষ্টে চললেও, তাদের মুখে সবসময় হাসি ছিল।

কিন্তু মানুষ তো মানুষই…
কিছু কিছু চুতমারানির প্রেমে পরিয়া মানুষ নিজের সুখ ভুলে যায়।


💔 প্রথম অধ্যায়: ভালোবাসার ভুল

রুবেল ছিল পড়াশোনায় ভালো। তার স্বপ্ন ছিল শহরে গিয়ে বড় কিছু করা। কিন্তু একদিন গ্রামের এক মেয়ের প্রেমে পড়ে গেল সে। মেয়েটির নাম ছিল শিউলি।

শিউলি ছিল সুন্দর, কিন্তু তার চোখে ছিল স্বার্থের ছাপ।
তবুও রুবেল বুঝতে পারেনি…
কারণ—
কিছু কিছু চুতমারানির প্রেমে পরিয়া মানুষ অন্ধ হয়ে যায়।

রুবেল পড়াশোনা ছেড়ে শিউলির পিছনে সময় দিতে শুরু করল। বাবা-মা বারবার বুঝালেও সে শুনলো না।

একদিন রহিম উদ্দিন কাঁদতে কাঁদতে বললেন,
— “বাবা, তুই যদি হারিয়ে যাস, আমাদের আর কিছু থাকবে না…”

কিন্তু প্রেমে পড়া মানুষ কি আর এসব বোঝে?


🥀 দ্বিতীয় অধ্যায়: ভাঙনের শুরু

একদিন রুবেল জানতে পারল, শিউলি শহরের এক ধনী ছেলের সাথে পালিয়ে গেছে।

তার পৃথিবী যেন থেমে গেল।

সে বুঝতে পারল—
সে ভুল করেছে। বড় ভুল।

মাটিতে বসে কাঁদতে কাঁদতে সে বলল,
— “আমি সব শেষ করে ফেললাম… শুধু কিছু কিছু চুতমারানির প্রেমে পরিয়া…”

তার চোখ দিয়ে পানি ঝরছিল, কিন্তু তখন আর কিছু করার ছিল না।









🐟 তৃতীয় অধ্যায়: পরিবারের ভালোবাসা

এদিকে রহিম উদ্দিন অসুস্থ হয়ে পড়লেন। কাজ করতে পারছিলেন না।

রুবেল তখন নিজের ভুল বুঝে আবার সংসারের দায়িত্ব নিতে শুরু করল। মাছ বিক্রি করা, বাজার করা—সব কিছু সে করতে লাগল।

একদিন সে বাবার পাশে বসে বলল,
— “বাবা, আমি ভুল করেছি… কিছু কিছু চুতমারানির প্রেমে পরিয়া আমি তোমাদের কষ্ট দিয়েছি…”

রহিম উদ্দিন দুর্বল কণ্ঠে বললেন,
— “ভুল করেছিস, কিন্তু বুঝতে পেরেছিস… এটাই বড় কথা।”

মা হালিমা ছেলের মাথায় হাত রেখে কাঁদতে লাগলেন।


🌧️ চতুর্থ অধ্যায়: হারানোর ভয়

এক রাতে রহিম উদ্দিনের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে গেল। হাসপাতালে নেওয়ার মতো টাকা ছিল না।

রুবেল দৌড়ে গিয়ে গ্রামের মানুষের কাছে সাহায্য চাইল।

কেউ দিল, কেউ দিল না।

সে মনে মনে বলল,
— “আমি যদি আগে বুঝতাম… কিছু কিছু চুতমারানির প্রেমে পরিয়া আমি জীবনটা নষ্ট করতাম না…”

শেষ পর্যন্ত তারা বাবাকে হাসপাতালে নিতে পারল।


🌅 শেষ অধ্যায়: ফিরে পাওয়া

কয়েকদিন পর রহিম উদ্দিন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন।

সেদিন পুরো পরিবার একসাথে বসে ভাত খেল। অনেকদিন পর তারা হাসল।

রুবেল এবার সিদ্ধান্ত নিল—
সে আর কখনো ভুল পথে যাবে না।

সে আবার পড়াশোনা শুরু করল, সাথে কাজও চালিয়ে গেল।

একদিন সে ছোট বোন মিতুকে বলল,
— “জীবনে ভুল করিস না… কারণ কিছু কিছু চুতমারানির প্রেমে পরিয়া মানুষ নিজের পরিবার হারিয়ে ফেলে…”

মিতু হেসে বলল,
— “ভাইয়া, তুমি তো এখন বুঝে গেছো, এটাই সবচেয়ে বড় জিনিস।”


❤️ শেষ কথা

জীবনে প্রেম আসবে, যাবে…
কিন্তু পরিবার একবার হারালে আর ফিরে পাওয়া যায় না।

তাই—
কিছু কিছু চুতমারানির প্রেমে পরিয়া নিজের জীবন নষ্ট করার আগে একবার ভেবে নাও…

কারণ সত্যিকারের ভালোবাসা সবসময় তোমার ঘরেই থাকে।












No comments:

Post a Comment